নামকরণ!

পাবনাতে যখন শ্যুট করতে যাবেন তার আগ দিয়ে সবার মাথায় কাজ করল, আচ্ছা গ্রুপ নাহয় হল, কিন্তু যেয়ে পরিচয়টা কী দিব! একটা নাম তো ঠিক করা লাগে। সাথে নিজেদের একটা ভিজিটিং কার্ড যদি নিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে কিছুটা প্রচারণাও করা যেত। সফটওয়্যারে টুকটাক কাজ পারার দরুন দায়িত্ব পড়ল নাফিসের ঘাড়ে। লোগো বানিয়ে ভিজিটিং কার্ড বানাতে হবে। মুসিবত হল – নামটা তো আগে ঠিক করতে হবে, তারপর না হয় লোগো আর ভিজিটিং কার্ড। একেকজন একেক নাম নিবেদন করলেও সবার কেন জানি পছন্দ হচ্ছিল না। কী দেওয়া যায় সেই নাম? ইভেন্ট মার্চ এর ২৯। অথচ ঠিক তার দুদিন আগেও নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আইনস্টাইনের বেশ কিছু গল্প প্রচলিত আছে। যাবতীয় আবিষ্কার নাকি তিনি বাথরুমে বসে চিন্তা করার সময় তার মাথায় আসত। শেষতক এখানে নাফিস আবির্ভূত হলেন সেই আইনস্টাইন হিসেবে। বাথরুমে বসে চিন্তা করতে করতেই তার মাথায় আসে একটা ওয়েব ডিজাইনিং সফটওয়্যার এর নাম ‘ড্রীম উইভার’! বাহ সুন্দর তো। সবাই ই তো তাদের বিয়ের মুহুর্তগুলির জন্য আজন্ম স্বপ্ন বুনে থাকে। আর সেই বিশেষ মুহুর্তগুলিতে স্বপ্ন বুনতে থাকে আর একটা মানুষের সাথে আজীবন একসাথে থাকার। তাহলে তাদের সেই স্বপ্ন বুনে রাখার স্মৃতিগুলোই আমরা ধরে রাখি! কনসেপ্ট দারুণ। একবাক্যে পছন্দ হয়ে গেল বাকি সবার। নাম ঠিক হয়ে গেল তরুণ চারজনের এই গ্রুপের – ড্রীম উইভার। াজ করিয়ে নিয়েছিলেন। শুভরাও তাই। নতুন কাজ শুরু করছেন তারা, সাকিবের কাছে তাদের জন্য লোগো বানিয়ে দিতে তো ক্যাফের পরোটা আর ডালভাজিই অনেক! কে জানত সেই ড্রীম উইভার আজ এতটা বড় হবে!